മോദിയെ കുറിച്ചും ദേശീയ ഗാനത്തെ കുറിച്ചുമുള്ള ചോദ്യത്തിനു തെറ്റുത്തരം പറഞ്ഞു; യുവാവിന് ക്രൂര മര്‍ദ്ദനം

single-img
26 May 2018

മാള്‍ഡ: പ്രധാനമന്ത്രി നരേന്ദ്ര മോദിയേയും ദേശീയ ഗാനത്തേയും കുറിച്ചുള്ള ചോദ്യത്തിന് കൃത്യമായ ഉത്തരം നല്‍കാതിരുന്നതിന്റെ പേരില്‍ യുവാവിന് ക്രൂര മര്‍ദ്ദനം. ഓടുന്ന ട്രെയ്‌നില്‍ വെച്ചായിരുന്നു നാലംഗ സംഘം യുവാവിനെ ക്രൂരമായി മര്‍ദ്ദിച്ചത്.

বিগত কয়েকদিন থেকে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যায় একটি যুবককে কয়েকজন ট্রেনের মধ্যে ঘিরে ধরে তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করে এবং তার উত্তর দিতে না পারলে তাকে চড় মেরে তার ধর্মীয় পরিচয় ও সংস্কৃতি নিয়ে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়।দুর্ভাগ্য হলেও সত্য,ঐ হেনস্থাকারী যুবকেরাও বাঙালী!মালদার কালিয়াচক নিবাসী ঐ যুবক রাজ্যের বাইরে কাজ করেন।ঘটনার দিন সে কলকাতা থেকে মালদায় নিজের বাড়ি ফিরছিল।তাকে ঘিরে ধরা ঐ যুবকেরা প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নাম জিজ্ঞেস করে।সে উত্তরে মমতা ব্যানার্জীর নাম বললে তাকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম জিজ্ঞেস করা হয়।যুবকটি আবার মমতা ব্যানার্জীর নাম করে।তাহলে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কে?পাশ থেকে একজন বলে-নওয়াজ শরিফ!!??পরের প্রশ্ন-দেশের রাষ্ট্রপতি কে?দেশের জাতীয় সঙ্গীত বল।সে না পারলে তাকে চড় থাপ্পড় মারা হয়।তখন প্রশ্নকর্তা বলে যে তুই জনগনমন বলতে পারিস?ছেলেটি বলে সে জানে ও গেয়ে দেখায়।সে বলে ঐটাই যে জাতীয় সঙ্গীত তা সে জানেনা এবং বারেবারে বলে যে সে পড়াশোনা জানেনা।এরপর বন্দেমাতরম,ভারত মাতাকি জয় বলতে বলা হয়।সে বারেবারে নিরক্ষরতার কথা বললেও ঘুরে ফিরে তাকে প্রশ্নগুলি করা হয় এবং না পারলে চড় মারা হয় ও তার ধর্মীয় আচার-আচরন নিয়ে হেনস্থা করা হয়।ভিডিওটি কয়েকদিন আগে "বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ"-এর হাতে আসে। আমরা এর সত্যতা অনুসন্ধান করতে আমাদের মালদা শাখার সহকর্মীদের অনুরোধ করি।ঐ যুবকের নাম জামাল মোমিন।বাড়ি-নয়াগ্রাম মহেশপুর,কালিয়াচক,মালদা।আমাদের প্রতিনিধি তার বাড়িতে যায়।তার স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং তার স্বামীর হেনস্থার প্রতিবাদ জানান।আমরা জামালের সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি কারন একদিন আগেই সে কর্মস্থলে চলে গেছে।আমরা তার স্ত্রীকে যথাযোগ্য আইনগত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছি ও আমাদের আইনগত সহযোগী দলের সাথে পরামর্শ করছি।"বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ"-এর প্রতিষ্ঠা বাংলার সংস্কৃতিকে পুনরুদ্ধার।আমরা প্রায়শই অন্যান্য রাজ্যে প্রত্যক্ষ করি এই ধরণের ঘটনা যেখানে শুধুমাত্র ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার জন্য,খাদ্যাভ্যাসের জন্য নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে,পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।তখন আমরা গর্ব করে বলি,আমাদের বাংলায় এসব হয়না।কিন্তু এই ঘটনা সেই গর্বে তীব্র কুঠারাঘাত আনলো না কি?এ কোন দিকে যাচ্ছে আমার বাংলা,আমার দেশ!!প্রশ্নটা সকল বাঙালীকে করতে হবে।আমাদের দেশের ৭২% স্বাক্ষর,পঃবঙ্গে ৭৬%…অর্থাৎ পঃ বঙ্গে ১০০ জনে ৭৬জন পড়তে পারে(!),বাকি ২৪জন সম্পূর্ণ নিরক্ষর।জামাল ঐ ২৪-এর দলে।পড়াশোনা ছেড়ে দীর্ঘদিন বাইরে।এই শতকরা ২৪ জনকে কিংবা ভারতের ২৮,UP-এর ৩৩,Bihar-এর ৩৮জনকে চড় কি,মেরে ফেললেও জাতীয় সঙ্গীত,প্রধানমন্ত্রী,রাষ্ট্রপতির নাম বেরবে বলে মনে হয়না।প্রশ্নকর্তা,তার পার্শ্ববর্তী সবাই বাঙালী,শিক্ষিত!!যাকে মারা হল সেও এক নিরীহ নিরক্ষর বাঙালী।তার একটাই অপরাধ,সে সংখ্যালঘু!তাই তাকে নানাভাবে হেনস্থা,গালিগালাজ ও তাকে ঘিরে উল্লাস।কিন্তু এই উল্লাসের কাছে আজ মানবিকতার হত্যা হল।এই ঘৃণ্য মানসিকতার বিরুদ্ধে আপামর বাঙালীকে এগিয়ে এসে তীব্রভাবে প্রতিবাদ করতে হবে,বিশেষত সংখ্যাগুরুদের।বাড়ির বড়ভাইকে এগিয়ে আসতে হবে ছোটর পাশে,দুয়ে মিলে ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে এই ভিনরাজ্যের নোংরা মানসিকতাকে বাংলা থেকে বহুদূরে…কারন আমরা বাঙালী,এটা পশ্চিমবঙ্গ…রবীন্দ্র-নজরুলের এই বাংলায় তোমার(সাম্প্রদায়িকতা) ঠাঁই নাই-সজোরে বলতে হবে সকলকে…আহ্বান "বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের"। Bangla Sanskriti Mancha

Posted by Samirul Islam on Wednesday, May 23, 2018

കുടിയേറ്റ തൊഴിലാളിയായ യുവാവിനാണ് അക്രമം നേരിടേണ്ടി വന്നത്. മെയ് 14ന് കലിയചക്കില്‍ നിന്ന് ഹൗറയിലേക്കുള്ള ട്രെയിന്‍ യാത്രക്കിടെ ഇടയ്ക്ക് വച്ച് സീറ്റ് വിട്ട് എഴുന്നേറ്റ് പോയപ്പോള്‍ നാല് പേരുടെ സംഘം ഇദ്ദേഹത്തിന്റെ സീറ്റിനടുത്ത സീറ്റുകളില്‍ വന്നിരിക്കുകയായിരുന്നു.

യുവാവ് തിരിച്ച് വന്നിരുന്നപ്പോള്‍ സീറ്റിലിരു സംഘം ചോദ്യം ചെയ്യാന്‍ തുടങ്ങി. പ്രധാനമന്ത്രിയെക്കുറിച്ചും, ദേശീയ ഗാനത്തെക്കുറിച്ചും മമത ബാനര്‍ജിയെക്കുറിച്ചുമൊക്കെയായിരുന്നു ചോദ്യങ്ങള്‍.ശരിയാ ഉത്തരം പറയാന്‍ കഴിയാതിരുന്ന യുവാവിനെ സംഘം മര്‍ദ്ദിക്കുകയും ചെയ്തു.

എന്നാല്‍ ട്രെയ്‌നിലെ യാത്രക്കാരില്‍ ഒരാള്‍ ദൃശ്യങ്ങള്‍ ക്യാമറയില്‍ പകര്‍ത്തിയിരുന്നു. ഈ ദൃശ്യങ്ങള്‍ തെളിവായി കാണിച്ചാണ് ബംഗ്ല ന്‍കൃതി മന്‍ഞ്ച പൊലീസില്‍ പരാതിയുമായെത്തിയത്. സംഭവത്തില്‍ പൊലീസ് അന്വേഷണം ആരംഭിച്ചു.